|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

  দেশজুড়ে
  করোনায় নেই ঈদের আমেজ, বেচা-কেনার মন্দা চরম পর্যায়
  Publish Time : 23 May 2020, 9:44:33:PM

মিয়া আবদুল হান্নান : বিদায় মাহে রমজান। আগামী সোমবার পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদ অর্থ আনন্দ আর ফিতর বলতে রোজার সমাপ্তি কিংবা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাওয়ার উদ্দেশ্য। ঈদের সময় ঘনিয়ে এলেও এখনও যেন ঈদের আমেজনেই খুদ রাজধানীতে। সড়কে রাস্তা-ঘাটে মানুষ থাকলেও তারা যেন দিশেহারা, বিপনি বিতান কিছু খোলা থাকলেও ক্রেতা- বিক্রেতা খুবই কম। কোনো ভিড় নেই, ক্রেতাও হাতে গোনাহ তবে ফুটপাতে কিছুটা ভিড় আছে। ঈদের বাকি আছে একদিন। অন্যান্য বছর এই সময়ে মানুষের ব্যস্ততা থাকে ঈদের কেনাকাটা নিয়ে। তবে ঈদের চিরচেনা সেই আনন্দ এবার কেড়ে নিয়েছে মরণঘাতী মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে, ঈদ কেন্দ্রিক বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের কেনা-বেচায় উৎসব জমজমাট পরিবেশও নেই। ঈদ ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে রাজধানীতে বেড়েছে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সংক্রমণের ঝুঁকি। বিশেষ করে মোট সংক্রমণের ৮৫ শতাংশ ঢাকা বিভাগে হওয়ায় ফলে এবার ঈদের আমেজের লেশমাত্র ও পাওয়া যাচ্ছেনা রাজধানী ঢাকার শহরে। গতকাল শনিবার রাজধানীর শহরে ও উপশহর গুলোতে। রাজধানীর উপকন্ঠে কেরানীগঞ্জের কালীগঞ্জের ছোট-বড় কাপড়ের মার্কেটে দোকান - পাট খোলা খুবই কম, তাতেও কেনা- কাটার পাইকারী ক্রেতা তো দুরেরকথা খুচরা ব্যাবসায়ীদের দেখা যাচ্ছে ন। আমার নাতির জামা-কাপড় কিন্তে গিয়ে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ঘুরে দেখলাম, রাজধানীর প্রধান বাণিজ্যিক এলাকাগুলোতে বছরে দুইটি ঈদকে কেন্দ্রকরে জামা-কাপড় জুতাসহ আরও কিছু পণ্যের জমজমাট বেচা-কেনা হলে ও 

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে এবার বন্দ রয়েছে সব ধরনের ব্যবসাবানিজ্য। শাবান মাসের শবে বরাতের পর থেকে ঈদের কেনাকাটা শুরু হলেও এবারের বছরের চিত্র উল্টো। ঈদ উপলক্ষে শেষ সপ্তাহে উপচে পড়া ভিড়ের মধ্যেই সারারাত ধরে বেচা-কেনা করতেন শহরের প্রধান প্রধান শপিংমল গুলোর দোকানীরা, এবার সেই দৃশ্য পাল্টে গেছে সারাদেশ, রাজধানী ঢাকার শহরে বসুন্ধর শপিং কমপ্লেক্স, গুলশান শপিং কমপ্লেক্, নিউ মার্কে, যমুনা ফিউচার পার্ক, গাউছিয়া মার্কেট, গুলিস্তানের পীর ইয়ামিনি মার্কেট, বঙ্গবন্ধুর এভিনিউ, বঙ্গবাজারসহ বন্ধ প্রায় সকল শপিংমলগুল। ঈদের আগে গুলিস্তান ও মতিঝিলের শাপলা চত্তর, ঢাকা স্টেডিয়ামের পূর্বে ডি আই টির সামনে থেকে বায়তুল মোকাররম উত্তরগেইট, দক্ষিণ গেইট, জিপিও পূর্বও দক্ষিণ, খদ্দর মার্কেট এলাকার ফুটপাথে বেশ কিছু জামা-কাপড়ের ও থান কাপড়ের দোকান বসলেও এবছরের চিত্র সম্পূর্ণভাবে ভিন্ন ধরনের। পুরো এলাকার চিত্র ফাঁকা। মহামারি মরণঘাতী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে আতঙ্কে হতাশায় ভুগছেন শিল্পমালিকেরা। এদিকে ছোট-খাটো ফুটপাতের দোকানীরা করোনা ভাইরাস ও রমজানের মাসের সময় সব বন্ধ। ফলের দোকান, খাবার হোটেল বন্ধ রয়েছে। সবাই নিরাপদ স্থানে অবস্থান করছে। সবকিছু মিলিয়ে ঢাকার শহর থমকে গেছ। ঢাকা ঐতিহ্যবাহী ওয়ারীতে গিয়ে দেখা গেছে, কিছু কিছু দোকান খুলছে। কেরানীগঞ্জ কালীগঞ্জের আলম মার্কেট, নুর সুপার মার্কে, তানাকা টাওয়ারের দোকান গুলোতে পাইকারী ব্যবসায়ীরা শুন্য কোঠায় দাড়িয়েছে । ক্রেতার সংখ্যা খুবই কম। জিঞ্জিরায় শপিং কমপ্লেক্স মানুষের ভিড় নেই, আছে লকডাউন। দোকানে একেকটা শোরুমে দুই বাঁ তিন ক্রেত। তাও আবার বেশিক্ষণ অবস্থান করছেননা। যতো তারাতাড়ি সম্ভব কিনে গন্তব্যে চলে যাচ্ছে, লাচ্ছা সেমাই কেনার জন্য ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন দেখা যেতো, আজ দোকানে দোকানে সেমাই চিনি মসলা আছে তেমন ক্রেতাদের কোনো ভিড় নাই। দুই একজন যাও কিনেছে তাও খুবই কম। শ্যামবাজার, চক বাজার,মৌলভীবাজার রমজানের দুই মাস আগে থেকে পাইকারি ও খুচরা ব্যাবসায়ীদের আনাগোণা নেই। মসলা বাজার বণিক সমিতি হাত গুটিয়ে বসে আছে।

বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে পরিস্থিতির কারণেই আপাততঃ বন্ধ মার্কেট গুলো। বড় বড় শপিং কমপ্লেক্স নিরাপত্তা বিধি মেনে বেচাকিনি করলেও মার্কেট খুলে দিলে ভিড় বাড়তো। সাধারণ মানুষেরা বলেছেন, অফিস আদালত ও ব্যবসা - বাণিজ্য বন্ধ থাকায় রাস্তারলোক জন কম। কিছু মানুষ প্রয়োজনে বেরুলেও কেনাকাটা করে দ্রুত চলে যায়। সন্ধ্যার পর রাজধানীতে এক ভীতিকর পরিবেশ তৈরি হয় যেন এমন পরিস্থিতিতে ঈদেরআমেজ প্রায় বুজাই যাচ্ছেনা ম্লান হয়ে গেছে সারাদেশ।



   শেয়ার করুন
Share Button
সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট : 73        
   আপনার মতামত দিন



চেয়ারম্যান: আবুল কালাম আজাদ
কো-চেয়ারম্যান: দেলোয়ার হোসেন।
সম্পাদক: সেহলী পারভীন।
সামসুন নাহার কমপ্লেক্স (৫ম তলা), ৩১/সি/১ তোপখানা রোড, সেগুনবাগিচা, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
টেলিফোন : ০২ ৯৫৫২৯৭৮, ইমেইল : toronggotv@gmail.com, toronggotvnews@gmail.com






   © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Dynamic Solution IT   Dynamic Scale BD